‘অফিসের এই বিষয়গুলো রীতিমতো ঘৃণা করি’

0

সকালে যানজট আর পরিবহনের সংকটে পড়ে অনেক ঝক্কি সামলে অফিসে পৌঁছলেন। আর নিজের টেবিলে বসেই মেজাজটা খিঁচড়ে গেলো।
কিংবা অফিস করতে করতে কাজের প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসল। এমন অভিজ্ঞতা প্রায়া সবারই আছে। এমন নানা যন্ত্রণা নিয়ে মানুষ কাজ করে যান কর্মক্ষেত্রে। মনে একটা বিষয়ই থাকে, এসব ভুলে একটা হাসি দিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। কিন্তু সবাই তা করতেও পারেন না। একটা সময় কাজের প্রতি বিষিয়ে ওঠে মন। অনেক মানুষ অফিসে তাদের মেজাজ খারাপের বিষয় গুলো তুলে ধরেছেন। সেখান থেকে বাছাই করে তুলে ধরা হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। এটি প্রকাশের পর সবাই সমর্থন দিয়েছেন। সব কর্মজীবীদের মনের কথাই যেন তুলে ধরছে এই প্রতিবেদন।

অনেকে অনেক কথাই লিখেছেন। তাদের দেখে নেওয়া যায়। দেখুন, অফিসে আপনার মেজাজ খারাপের বিষয়ের সঙ্গে এদের মিল আছে কিনা।

১. এক লিখেছেন, কেবল কাজ আর কাজ
আসলে অফিসে তো কাজ থাকবেই। কিন্তু এমন কাজ থাকে বা পরিস্থিতি আসে যখন একটানা অনেক্ষণ কাজ করতে হয়। এ বিষয়টি আসলে সহজে গ্রহণযোগ্য নয়।

২. আরেকজন লিখেছেন, অফিসে আমার জিনিসপত্র ধার নেওয়া জিনিস যখন কেউ আর ফেরত দেন না, তখন তাই হয় সবচেয়ে বিরক্তিকর।

৩. একজন লিখেছেন, আমার কোনো ইমেইলের উত্তরে বস লিখলেন- চলো ব্যাখ্যা করা যাক। এই বলে তিনি বিশদ বয়ানের সঙ্গে জবাব দিলেন। এই ইমেইল পড়তে মোটেও ভালো লাগে না।

৪. আরেকজনের সমস্যা আর অন্যরকম। লিখেছেন, আমার সবচেয়ে খারাপ লাগে যখন কুকুরটাকে অফিসে নিতে পারি না।

৫. আরেকজনের আক্ষেপ, যখন আরাম করে এককাপ কফি হাতে নেবো, তখন কেউ এসে আলাপ জুড়ে দিলেই বিরক্ত লাগে। কিংবা কফি খাওয়ার আগে কারো সঙ্গে জরুরি কথা বলতে হয়।

৬. অন্য একজন লিখেছেন, কারো হয়তো কাজ নেই। সে ঘুরছে-ফিরছে। কিন্তু অযথাই আমার সঙ্গে কথা বলতে থাকে। অথচ তিনি দেখছেন যে আমি যথেষ্ট ব্যস্ত।

৭. এক কর্মী লিখেছেন, মিটিংটা হয়তো শেষ হয়ে গেছে। কিংবা প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এ সময় কেউ একজন এমন বিষয় তুলে ধরলেন যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা দরকার।

৮. আরেকজনের বিরক্তিকর বিষয় হলো, বসরা কৌতুক বলেন। আর বাধ্যতামূলক ভাবে সেই কৌতুক শুনে হাসতে হবে। এটা ভালো না লাগলেও শুনতে হবে।

৯. একজন বলছেন, শুধু মিটিং আর মিটিং। কবে কোথায় গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করা যায়, তা নিয়েও মিটিং করা হয়।

১০. ইমেইল নিয়ে আরেকজন লিখেছেন, এমন ইমেইল আসে যেটাতে লেখা থাকে ‘নিচে দেখুন’। আর নিচে কমপক্ষে ৫০টি মেসেজ রয়েছে। এমন ইমেইল পড়তে কার ভালো লাগে? কাজের আগ্রহই নষ্ট হয়ে যায়।
সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here