কক্সবাজারে শুঁটকি উৎপাদনের ধুম, রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও

0

কক্সবাজার উপকূল জুড়ে এখন চলছে শুঁটকি উৎপাদনের ধুম। কাঁচা মাছ প্রক্রিয়াজাত থেকে শুরু করে শুঁটকি হওয়া পর্যন্ত এসব মহালে কাজ করছে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক। এই শুটকি দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অবকাঠামো সমস্যাসহ শুঁটকি পরিবহনের ক্ষেত্রে পথে পথে পুলিশ হয়রানি শিকার হচ্ছেন তারা। অবশ্য প্রশাসন বলছে, সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।
গভীর সাগর থেকে ট্রলার গুলো এসে ভিড়ে উপকূলে। ট্রলারের খাঁচা নামিয়ে মজুত করা হয় মহালে। তবে বিক্রির জন্য নয়, শ্রমিকরা সেই কাঁচা মাছ কেটে কুটে পরিষ্কার করে টাঙিয়ে দিচ্ছেন বাঁশের মাচায়। রোদে শুকিয়েই মাচায় তৈরি হচ্ছে শুঁটকি।

নাজিরারটেক দেশের সর্ববৃহৎ শুঁটকি পল্লী। শীত মৌসুম সামনে বলে এই এলাকায় বেড়েছে ব্যস্ততা। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শুকানো হচ্ছে নানা প্রক্রিয়ায়। শ্রমিকদের পাশাপাশি ব্যস্ত মহাল মালিকরাও। শীতের পরই সামনে রয়েছে দুর্যোগ মৌসুম। তাই শঙ্কার পাশাপাশি শুঁটকি পরিবহনের ক্ষেত্রে নানা হয়রানির কথাও বলছেন তারা।

সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে নাজিরারটেক মহালের আধুনিকায়ন করা গেলে আরও বেশী শুঁটকি বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলে জানালেন এ জনপ্রতিনিধি।

কক্সবাজারের ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকতার কামাল জানান, ‘আমরা কক্সবাজার পৌরসভা থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছে, অবকাঠামো উন্নয়ন করার জন্য। আমরা আশা করছি সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে এলাকাকে সমৃদ্ধ করবে।’

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মাহিদুর রহমান জানান, ‘অবকাঠামো উন্নয়নসহ শুঁটকি মহালের আধুনিকায়নে নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আর অত্যাধুনিক ফ্যাক্টরি স্থাপনের জন্য আমরা চেম্বার অফ কমার্সের প্রতিনিধিকে অনুরোধ জানিয়েছি, তারা যেন বিনিয়োগ করে।’

শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকারী ব্যবসায়ী সমিতির দেয়া তথ্য মতে, গত বছর দেশে প্রায় ৩শ কোটি টাকার আর বিদেশে রপ্তানি হয় প্রায় ২শ কোটি টাকার শুটকি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here