প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান

0

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। ছোট ছোট টিলা, সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার এবং কয়েকশ প্রজাতির বন্য প্রাণীর অভয়াশ্রম এই উদ্যান। তবে এখনো গড়ে ওঠেনি পর্যটন বান্ধব সুযোগ সুবিধা। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময় এসেছে পিছিয়ে পড়া পর্যটন স্পটগুলোকে আকর্ষণীয় করে ঢেলে সাজানোর। সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানান, সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পর্যটন স্পটগুলো নিয়ে কাজ চলছে।
রাস্তার দু’পাশে সারি সারি চা-বাগান। যতদূর চোখ যায়, দিগন্ত বিস্তৃত সবুজের সমারোহ। রাজধানী থেকে ১শ’ ত্রিশ কিলোমিটার দুরে হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান।

চুনারুঘাট উপজেলায় ২৪৩ একর জায়গা জুড়ে এক মনকাড়া নৈসর্গিক স্থান। আছে বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তু। পায়ে হাঁটার জন্য ৪ কিলোমিটার সরু পথ। সুবিশাল ওয়াচ টাওয়ার। তবে এতো বিস্তৃত এলাকায় নেই বিশ্রামের জায়গা, থাকা-খাওয়ার সুযোগ। তাই ঘুরতে আসা পর্যটকরা কিছুটা হতাশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক মজিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সমন্বয়ের অভাবেই এগুলো ঘটছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ট্যুরিজম সেক্টরকে সামনে নিয়ে যাবার জন্য প্রথম এবং প্রধান কাজ হলো এটাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের জায়গায় নিয়ে যাওয়া।

দেশের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে গেল বছর পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করা হলেও তেমন কোন অগ্রগতি নেই এ খাতে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পর্যটন স্পটগুলো যদি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় আনা যায় তবে, এ খাতের অর্থনৈতিক অবদান হবে আশানুরূপ।

তবে নানা পদক্ষেপের কথা জানলেন বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

তিনি বলেন, ‘যে পর্যটন স্পটগুলো আছে সেগুলো নিয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি আমরা করাচ্ছি। একটা বিল্ডিং তুলে রাখলাম অথচ দেখা গেলো সেখানে কেউ গেলো না, সেটা যেনো না হয়।’

ট্যুরিজম বোর্ডের হিসেবে দেশে এমন আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান রয়েছে প্রায় সাড়ে ৭শ’ টি। তবে পর্যটন বান্ধব সুযোগ সুবিধা আছে মাত্র ৪৫টি পর্যটন স্থানে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here